বিহারে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘিরে তুমুল আলোচনা চলছে। স্ত্রীর সঙ্গে ভাইপোর অবৈধ সম্পর্কের সন্দেহে এক ব্যক্তি শুধু মারধরই করেননি, জোর করে স্ত্রীর সঙ্গে ভাইপোর রাস্তায় বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। আর সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
এই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে বিহারের সুপল জেলার জীবচ্ছাপুরে। প্রায় সাত দিন আগে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়। যদিও আনন্দবাজার ডট কম সেই ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেনি।
ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবককে রাস্তার ওপর কয়েকজন বেধড়ক মারছে। এরপর আরেক নারীকে টেনে এনে তাকেও মারধর করা হয়। পরে একজন সিঁদুর নিয়ে আসে এবং যুবককে বাধ্য করা হয় সেই নারীর সিঁথিতে সিঁদুর পরাতে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই যুবক মিথিলেশ কুমার মুখিয়া, আর নারী রিতা দেবী, যিনি মিথিলেশের কাকিমা। মিথিলেশের কাকা শিবচন্দ্র মুখিয়া, যিনি রিতার স্বামী— তিনিই গ্রামবাসীদের ডেকে এনে ভাইপো ও স্ত্রীকে মারধর করেন এবং জোর করে বিয়ে দিয়ে দেন।
মিথিলেশের বাবা রামচন্দ্র মুখিয়া অভিযোগ করেছেন, তাঁকেও মারধর করা হয়। তিনি জানান, ২ জুলাই তাঁর ভাই শিবচন্দ্র মিথিলেশকে অপহরণ করে নিয়ে যান এবং লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।
এছাড়া মারধরের ঘটনায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন রামচন্দ্র। তাঁর ছেলেও গুরুতর জখম হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে, তবে এখনও কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।
স্থানীয়রা আরও জানান, শিবচন্দ্র ও রিতার চার বছরের একটি সন্তান রয়েছে। কাকার সন্দেহ ছিল, তাঁর স্ত্রী ও ভাইপোর মধ্যে পরকীয়া চলছে, সেই সন্দেহ থেকেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নেন।
