আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) জারি করা নির্দেশনায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার আগে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যারা চলতি বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ৫ নভেম্বর সারা দেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
খসড়া তালিকা প্রকাশের পর কোনো তথ্য নিয়ে দাবি বা আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে। এরপর আগামী ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওয়া আবেদনগুলো ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ মে।
প্রতিটি ধাপের নির্বাচনী তফসিল সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন বলে জানানো হয়েছে।
ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তি, খসড়া তালিকা প্রকাশ এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুতের এই সময়সূচি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তুতির অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
