আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে ইরানে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এই আয়োজন ঘিরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুধু ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রতিবেশী ইরাকসহ মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বিভিন্ন পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী ধাপে কর্মসূচি পবিত্র কোম শহর হয়ে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।
সবশেষে মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে দাফনের প্রস্তুতির তথ্যও বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে। আয়োজকেরা আশা করছেন, দেশ-বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং প্রায় ৯০টি দেশের ধর্মীয় নেতার অংশগ্রহণের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

