ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাতারে সংরক্ষিত প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের ইরানি তহবিল অবমুক্ত করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক সমঝোতার বিভিন্ন ধারা ইরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলোচনার ফলাফল এবং এর বাস্তব সুবিধা শিগগিরই স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলেও তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।
প্রেসিডেন্টের দাবি, আলোচনায় ইরানের বিভিন্ন অধিকার ও স্বার্থের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ অবমুক্তকরণ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানের লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন নয়। তিনি বলেন, দেশটি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে এবং এ অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই অপরিবর্তিত রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সমঝোতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে পারমাণবিক কার্যক্রম, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দেন যে, এই কূটনৈতিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে এখনও বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা বাকি রয়েছে।

