পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পুনরায় প্রবেশের সম্ভাবনা নাকচ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ‘মরিচাধরা’ যুদ্ধজাহাজকেও আর পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষায়, এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ফিরিয়ে আনার আকাঙ্ক্ষা শেষ পর্যন্ত অপূর্ণই থেকে যাবে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।
মেজর জেনারেল আবদুল্লাহির দাবি, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন নৌবাহিনীকে কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দেশটির নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের সামরিক শক্তিকে প্রভাব বিস্তার এবং বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভীতি সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন নৌবাহিনীর সেই সক্ষমতা আর আগের মতো নেই বলে দাবি করেন ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এখন পারস্য উপসাগর কিংবা ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি যাওয়ার অবস্থায় নেই।
মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করে আবদুল্লাহি বলেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন বাহিনীকে আবারও প্রবেশ করতে দেখার বিষয়টি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে কেবল স্বপ্ন হিসেবেই থেকে যেতে পারে। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ফিরিয়ে আনার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে রূপ নেওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাবে।
ইরানের এই বক্তব্যে পারস্য উপসাগরকে ঘিরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে ইরানি সেনাপ্রধানের দাবিগুলো তাঁর নিজস্ব বক্তব্য; স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে এগুলোকে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
