স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের পর বাংলাদেশ নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তার মতে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করে তোলা।

রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুসংহত থাকলে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতি সম্ভব।

তিনি বলেন, স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। একই সঙ্গে দক্ষ প্রশাসন এবং কার্যকর সংসদীয় কমিটি রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মির্জা ফখরুলের মতে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতভেদ, রাজনৈতিক বিরোধিতা এবং আন্দোলন থাকবেই। তবে এসবের মধ্যেও যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী থাকে, তাহলে গণতন্ত্র টেকসই ভিত্তি পায়।

তিনি উদাহরণ হিসেবে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বলেন, নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সেখানে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতার কারণে ব্যবস্থা টিকে আছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দক্ষ প্রশাসন এবং শক্তিশালী গণমাধ্যমকে তিনি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইনজীবী ও বিচারকদের উদ্দেশে তিনি আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার বক্তব্যে, সমাজে ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও আরও এগিয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল। ভবিষ্যতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও কার্যকর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version