এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে রেকর্ড ৪৮টি দল। তবে বাছাইপর্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় দল অংশ নেওয়ায় টুর্নামেন্টের আর্থিক সুফল শুধু অংশগ্রহণকারী দলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। ফিফার উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সদস্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও আর্থিক সহায়তা পাবে।
ফিফা এবারের বিশ্বকাপের জন্য মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে, যা আগের আসরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার। রানার্সআপের জন্য ৩৩ মিলিয়ন, তৃতীয় স্থানের জন্য ২৯ মিলিয়ন এবং চতুর্থ স্থানের জন্য ২৭ মিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দল ২০ মিলিয়ন ডলার, শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দল ১৬ মিলিয়ন ডলার এবং গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দল ১২.৫ মিলিয়ন ডলার করে পাবে। অংশগ্রহণকারী সব দলকে প্রস্তুতি ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত ২.৫ মিলিয়ন ডলারও দেওয়া হবে।
বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুর মতে, দলসংখ্যা বাড়ানোর ফলে এশিয়া, আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ ফিফা সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় করে। সেই উন্নয়ন তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ফুটবলও আর্থিক সহায়তা পাবে, যা অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে কাজে লাগানো যেতে পারে।
এদিকে মাঠের লড়াইয়েও এবারের বিশ্বকাপ ছিল গোলবহুল। ফাইনালের আগে পর্যন্ত টুর্নামেন্টে মোট ২৯৭টি গোল হয়েছে। সর্বোচ্চ আটটি করে গোল করে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে।
রোববারের ফাইনালের পর নির্ধারিত হবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের পাশাপাশি গোল্ডেন বল, গোল্ডেন বুট ও অন্যান্য ব্যক্তিগত পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম।
