ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কথিত রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানানো হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ জনগণকে জানাজায় ব্যাপকভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গালিবাফ তার বক্তব্যে যুবসমাজ, নারী-পুরুষ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে শক্ত বার্তা পৌঁছে দেওয়া উচিত এবং ইরান অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর কর্মসূচি কোম, নাজাফ ও কারবালা হয়ে মাশহাদে গিয়ে শেষ হবে, যেখানে ৯ জুলাই দাফনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং প্রায় ৯০টি দেশের ধর্মীয় নেতার উপস্থিতির কথাও বলা হয়েছে।
সম্ভাব্য এ আয়োজন ঘিরে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী স্থল, নৌ ও আকাশপথে নজরদারি জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা বজায় রাখার কথাও জানানো হয়েছে।
