বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নতুন অভিযানে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা কার্লো আনচেলত্তির দলের জন্য এখন প্রতিটি ম্যাচই ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই—একটি হারই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের কারণ হতে পারে।
সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হিউস্টনে জাপানের মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। ম্যাচের আগে আনচেলত্তি জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতার এই পর্যায়ে কোনো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই আপাতত পুরো মনোযোগ জাপানকে হারানোর দিকেই।
জাপানকে পরাজিত করতে পারলে ব্রাজিল শেষ ষোলোতে উঠবে। সেখানে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্ট। এই দুই দলের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলই পরবর্তী ধাপে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের জয়ীর মুখোমুখি হবে।
পরের ধাপ আরও কঠিন হতে পারে। সম্ভাব্য কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হতে পারে ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারলে অপেক্ষা করতে পারে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, যারা গ্রুপপর্বে শতভাগ সাফল্য নিয়ে নকআউটে উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে ব্রাজিলকে সম্ভাব্যভাবে টানা দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন—ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারাতে হতে পারে। সেই কারণেই শিরোপার পথকে অত্যন্ত কঠিন হিসেবে দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা।
বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই। তার আগে ৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ ৩২-এর লড়াই। এরপর শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল শেষে নির্ধারিত হবে এবারের দুই ফাইনালিস্ট।
গ্রুপপর্বে ব্রাজিল দারুণ ছন্দে ছিল। মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে একই ব্যবধানে ৩-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করে আনচেলত্তির শিষ্যরা।

