দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করেছে ও। এই সংলাপে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ফোলহা দে সাও পাওলো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ইরনা’ তার বক্তব্য প্রকাশ করে।

ইসমাইল বাঘাই বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অব্যাহত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, আলোচনায় ইরান কোনো অতিরিক্ত সুবিধা চাইছে না; বরং নিজেদের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করতেই তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রধান দাবি হলো দেশটির ওপর আরোপিত মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। বাঘাই বলেন, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ইরানের ন্যায্য অধিকার এবং এটি বাস্তবায়ন জরুরি।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই গোপন সংলাপ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

তবে এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা শিথিলে কতটা আগ্রহ দেখাবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version