রাশিয়ার কনস্যুলেট কার্যক্রম সীমিত করা এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্তকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তাঁর দাবি, জার্মানির সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো মস্কোর প্রতি আরও কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন।
রোববার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, জার্মানিতে রাশিয়ার কনস্যুলেট জেনারেল বন্ধ করে দেওয়া এবং বার্লিনে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত উদ্বেগজনক। তিনি অভিযোগ করেন, এসব পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সংঘাতমুখী করে তুলছে।
সম্প্রতি জার্মানি অভিযোগ করেছে, লিপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন ব্যবহার করে হামলার চেষ্টার পেছনে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা ছিল। বার্লিনের দাবি, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এ ঘটনায় রুশপন্থী এজেন্টরা জড়িত ছিল। তবে মস্কো এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ল্যাভরভ বলেন, জার্মানির পদক্ষেপের বিষয়ে রাশিয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। একই সঙ্গে তিনি জার্মান নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, তাদের বর্তমান অবস্থান ইউরোপে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।
ড্রোন হামলার অভিযোগ সামনে আসার পর দুই দেশই একে অপরের কিছু সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সীমিত করেছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশও রুশ কূটনীতিকদের তলব করেছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই জার্মানি কিয়েভের অন্যতম প্রধান সমর্থক। এমন পরিস্থিতিতে লিপজিগ বিমানবন্দরকে ঘিরে অভিযোগ এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে বার্লিন ও মস্কোর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।
