ইরান তার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একটি ইসরাইলি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিযোগ করেন। তবে তার ছেলেকে কখন, কীভাবে বা কোন পরিস্থিতিতে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি তিনি।

নেতানিয়াহু আরও জানান, তার দুই ছেলের মধ্যে ঠিক কাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেটিও তিনি প্রকাশ করেননি। ফলে অভিযোগটি ঘিরে বিস্তারিত তথ্য এখনো অস্পষ্ট রয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরাইলের একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। সেই প্রসঙ্গেই নিজের পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আনেন নেতানিয়াহু।

তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতা হারালেও তার পরিবারকে আরও পাঁচ বছর বিশেষ সরকারি নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। নেতানিয়াহুর মতে, পরিবারের জন্য এই নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়; বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি প্রয়োজনীয়।

তার ভাষ্য, যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে শত্রুপক্ষ তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার সুযোগ পেতে পারে। তাই পরিবারের নিরাপত্তাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয় বলে তিনি মনে করেন।

বর্তমানে নেতানিয়াহুর বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে তার ছোট ছেলে ইসরাইলেই বসবাস করছেন। বড় ছেলের বিদেশে অবস্থানের পেছনে সরকারি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে—এমন বিষয় নিয়ে ইসরাইলে আগে থেকেই বিতর্ক রয়েছে।

তবে এসব সমালোচনার মধ্যেও নেতানিয়াহু পরিবারের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর এ ধরনের অভিযোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বৈরিতার প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তার বক্তব্যের পক্ষে কোনো বিস্তারিত তথ্য বা ঘটনার নির্দিষ্ট বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version