মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরনগরী দামিয়েত্তায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ড্রোন হামলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। ঘটনার পর প্রথমবারের মতো কায়রো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, আগুন লাগার পেছনে ড্রোন হামলা দায়ী হতে পারে।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৯ জুলাই ঘটে যাওয়া এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি ভাসমান গ্যাস সংরক্ষণ জাহাজ। বিস্ফোরণ বা আগুনের প্রভাবে পাশের আরেকটি জাহাজেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও সম্পদের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, পর্যবেক্ষকদের ধারণা, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে মিসরের ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলার ঘটনা নজিরবিহীন। এর আগে মিসরের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় জাহাজে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আগুনের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে।
