মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা উত্তেজনার মধ্যে অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলে উন্নত যুদ্ধবিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান এবং অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলজুড়ে সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি, ভ্রমণ সতর্কতা জোরদার এবং সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় ওয়াশিংটন প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, জর্ডানে সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনা হতাহতের ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বাড়ানোর কৌশল বিবেচনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এবং যুক্তরাজ্য থেকে অত্যাধুনিক স্টেলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমানও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হচ্ছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিমানগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দমন, নজরদারি এবং সম্ভাব্য অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ অভিযানে ড্রোন ও অন্যান্য মানববিহীন প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এ বিষয়ে পেন্টাগন বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এখনো পূর্ণাঙ্গ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version