রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে দিনের কর্মসূচি শেষ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা স্থান ত্যাগ করেছেন। এর ফলে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত বন্ধ থাকা উভয়মুখী সড়ক আবারও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল প্রায় ৫টা ৫০ মিনিটে শিক্ষার্থীরা সরে গেলে পুলিশ ব্যারিকেড অপসারণ করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরপরই সড়কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী জানান, পরদিন এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় আপাতত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে তাদের উত্থাপিত দাবিগুলো বহাল রয়েছে এবং প্রয়োজনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার আওতায় হওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। তাই সাময়িকভাবে সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর ব্যারিকেড সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বাইরে অন্য কোনো পক্ষ যুক্ত ছিল কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এর আগে বিকেলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে গিয়ে তাদের ছয় দফা দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেন। এর আগে তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছিলেন, তবে পরে দাবি পুনর্বিন্যাস করেন।
প্রসঙ্গত, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামেন। তাদের দাবির মধ্যে ছিল পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, প্রশ্নপত্রের ভুলের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

