তুরস্ক সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া নতুন বিলাসবহুল জেট ব্যবহার না করে পুরোনো সরকারি বিমানেই যাত্রা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিরাপত্তা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা যায়, কাতারের দেওয়া নতুন বিমানটি আগেই যুক্তরাজ্যের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের সফরের জন্য ব্যবহৃত পুরোনো বিমানটি দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ নিরাপত্তা মান বজায় রেখে পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পূর্ণ তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত করা।

কর্মকর্তাদের মতে, নতুন বিমানটি সম্প্রতি মার্কিন বহরে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। ফলে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা বাহিনী পরীক্ষিত পুরোনো বিমান ব্যবহারকেই অধিক নিরাপদ মনে করেছে।

যদিও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট বা তাৎক্ষণিক হামলার তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবুও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ন্যাটো সম্মেলনের সময় ট্রাম্প নিজেও সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির কথা উল্লেখ করেছিলেন।

নতুন বিমানটি কেন আগে যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়েছিল—এ বিষয়ে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের বিমানটি দেখার সুযোগ করে দিতেই এটি আগেভাগে পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি আবার বলেন, সফরের সময় কোনো বিশেষ নিরাপত্তা সংকট ছিল না এবং বিমান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অন্য কারণেও নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রেসিডেন্টের ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা মূল্যায়ন সবসময় পরিবর্তনশীল থাকে। তাই পরিস্থিতি অনুযায়ী কোন বিমান ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্তও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শেই নেওয়া হয়।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version