বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের সামনে কঠিন পরীক্ষা। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড—যে দেশেই জন্ম হয়েছিল দলের প্রধান তারকা আর্লিং হালান্ডের। তাই ম্যাচটিকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।
মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড বলেন, ইংল্যান্ড তার জন্য বিশেষ একটি জায়গা। জন্মের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলছেন এবং ইংলিশ ফুটবলের অনেক খেলোয়াড়ই তার ঘনিষ্ঠ সতীর্থ। ফলে এই ম্যাচে আবেগ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা—দুটোই থাকবে।
হালান্ডের জন্ম ইংল্যান্ডে, যখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পরে নরওয়ের জাতীয় দলে খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং বর্তমানে দেশটির অন্যতম বড় ফুটবল তারকায় পরিণত হয়েছেন। ক্লাব ফুটবলেও ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
চলতি বিশ্বকাপে নরওয়ের সাফল্যের পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন হালান্ড। নিজের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে চার ম্যাচে সাত গোল করে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রেখেছেন তিনি। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নরওয়ের জয়ের নায়কও ছিলেন এই ফরোয়ার্ড।
হালান্ড স্বীকার করেছেন, নরওয়ের এমন সাফল্য তার নিজের কাছেও কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল। তিনি বলেন, বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠা এবং শক্তিশালী ব্রাজিলকে হারানো দলের জন্য স্মরণীয় অর্জন। দেশের মানুষ যেভাবে এই সাফল্য উদযাপন করছেন, তা তাদের কাছে কতটা বিশেষ—সেটিও তিনি উল্লেখ করেন।
ইংল্যান্ডকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার উল্লেখ করে হালান্ড বলেন, প্রত্যাশার চাপ প্রতিপক্ষের ওপরই বেশি। সেই চাপকে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল অর্জনের আশায় রয়েছে নরওয়ে।

