রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন আবেদন বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, বিতর্কিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।
রোববার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন। আদালত জানতে চেয়েছেন, কেন আবেদনকারীকে জামিন দেওয়া হবে না। রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নাকচ হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল। তাঁর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক, এস এম শাহজাহান ও সারা হোসেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ছফওয়ান।
মামলাটি ২০২৫ সালের ২২ জুন দায়ের করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান। অভিযোগে সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও ভোটাধিকার হরণের ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে গত ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করার পর তদন্তের স্বার্থে তাঁকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, জাবেদ পাটোয়ারী, এ কে এম শহীদুল হকসহ আরও কয়েকজন সাবেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি।

