প্রায় তিন বছর পর আবারও ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তারকা ফুটবলার নেইমার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠে ফেরার পর তিনি জানান, এই মুহূর্তটি তার জন্য ছিল অত্যন্ত আবেগঘন।
২০২৩ সালের অক্টোবরের পর চোট ও শারীরিক সমস্যার কারণে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দীর্ঘ পুনর্বাসন ও অনুশীলনের পর অবশেষে বিশ্বকাপ মঞ্চে ফেরার সুযোগ পান তিনি।
যদিও শারীরিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত না থাকায় টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। সেই সময় তিনি দলের সঙ্গে থেকে সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করেছেন এবং আলাদা অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। সরাসরি কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট না করলেও মাঠে ফেরাটাই ছিল তার জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন।
ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পেরে তিনি ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। ড্রেসিংরুমে একা বসে সেই অনুভূতির কারণে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ব্রাজিলের হয়ে খেলা সবসময়ই তার কাছে বিশেষ কিছু। দীর্ঘ বিরতির পর আবার দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ এবং আনন্দিত।
অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ম্যাচে দুটি গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। টুর্নামেন্টের ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের জন্য ভিনিসিয়াসের প্রশংসা করেন নেইমারও।
নেইমারের মতে, ভিনিসিয়াস বর্তমানে অসাধারণ ছন্দে রয়েছেন এবং দলের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তার পারফরম্যান্স ব্রাজিলের জন্য বড় সম্পদ বলেও মন্তব্য করেন এই তারকা ফুটবলার।
গ্রুপ পর্ব সফলভাবে শেষ করার পর এখন নকআউট পর্ব নিয়ে আশাবাদী নেইমার। তিনি বলেন, সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে এবং শিরোপার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে প্রতিটি ম্যাচে সেরাটা দিতে হবে।

