পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবারের দিকে আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরবর্তী বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে উভয় দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ড ত্যাগ করলেও কারিগরি প্রতিনিধিদলগুলো আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। এ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন জটিল ইস্যুতে অগ্রগতির পথ খোঁজা হচ্ছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানান, প্রথম দফার কারিগরি আলোচনার পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পৃথক কার্যকরী দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব দলের কাজ হবে নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত বিষয়, পারমাণবিক কার্যক্রম, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন, এবং বাস্তবায়ন ও তদারকি কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা।
এদিকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, সাম্প্রতিক সমঝোতার পর নতুন পর্যায়ের সংলাপ শুরু হলেও ইরানের ওপর বিদ্যমান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা ও মজুতের বিষয়ে কিছু সমন্বয় করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা প্রত্যাহারের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পারস্পরিক আলোচনার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসন্ন আলোচনা মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে এগোবে—ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি এবং লেবাননকে ঘিরে আঞ্চলিক পরিস্থিতি।
