বেলজিয়ামের ফুটবলে একসময় যাদের ‘গোল্ডেন জেনারেশন’ বলা হতো, সেই প্রজন্ম বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জিততে না পারলেও দেশের ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ ছাপ রেখে গেছে। এবার সেই ইতিহাসের পর নতুন করে গড়ে ওঠা দলকে ঘিরে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ গোলদাতা রোমেলু লুকাকু।
২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন ছিল বেলজিয়ামের সবচেয়ে বড় সাফল্য। সেই দলে লুকাকু, কেভিন ডি ব্রুইনা এবং থিবো কোর্তোয়ার মতো তারকারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইডেন হ্যাজার্ড ও ভিনসেন্ট কোম্পানির মতো অভিজ্ঞরা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন।
লুকাকুর মতে, এখন দলটি এক নতুন অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, আগের মতো চাপ না থাকায় তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ আরও বেশি তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এই নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যতের বেলজিয়াম দলকে এগিয়ে নেবে।
চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকলেও বিশ্বকাপকে ঘিরে তিনি এখনো আশাবাদী। ক্লাব নাপোলির হয়ে মৌসুমের শেষ দিকেও খেলা হয়নি তার, তবে জাতীয় দলের সঙ্গে প্রস্তুতি নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।
লুকাকু জানান, এটি তার চতুর্থ বিশ্বকাপ হলেও এবার তিনি সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন। দলের বর্তমান পরিবেশ ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গ্রুপ পর্বে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে মিশর, ইরান এবং নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচেই তাদের শক্তিশালী মিশরের মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবেন মোহামেদ সালাহ।
সালাহকে নিয়ে লুকাকু বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একজন। ক্লাব ও জাতীয় দলে তার পারফরম্যান্স অসাধারণ। তার মতে, এমন মানের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলা সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ এবং সেটাই বিশ্বকাপের আসল প্রতিযোগিতাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
সব মিলিয়ে নতুন প্রজন্মকে ঘিরে আত্মবিশ্বাসী বেলজিয়াম এবার বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে।
