
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে চলমান আলোচনায় নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, United States আলোচনার সময় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে Iran–এর তেল খাতে আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞায় সাময়িক ছাড় দিতে রাজি হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মার্কিন প্রস্তাব আগের খসড়াগুলোর তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। এতে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
কূটনৈতিক ভাষায় “নিষেধাজ্ঞায় ছাড়” বলতে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না রাখা বা সীমিত আকারে শিথিল করাকে বোঝায়। তবে এটি স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সমতুল্য নয়।
অন্যদিকে, তেহরান শুরু থেকেই স্পষ্টভাবে জানিয়ে আসছে যে, যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে দেশটির ওপর আরোপিত সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা স্থায়ীভাবে তুলে নিতে হবে। ইরানের অবস্থান হলো, আংশিক বা সাময়িক ছাড়ের পরিবর্তে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে Office of Foreign Assets Control (ওএফএসি)–এর আওতায় আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি ১৪ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এরপরই ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের এই ইঙ্গিত আসায় আলোচনায় নতুন গতি তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইরানের তেল রপ্তানিতে আংশিক ছাড় কার্যকর হয়, তাহলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক তেলের দামে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।