
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে Iran-এর সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপন মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তার অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কার্যক্রম পুনরায় সচল করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz সংলগ্ন ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই বর্তমানে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়ন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সংঘটিত যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর হামলার পরও ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত এবং মোবাইল লঞ্চার অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে মাটির নিচে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির প্রায় ৯০ শতাংশ আংশিক অথবা পুরোপুরি সচল অবস্থায় আছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এই তথ্য প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের দাবি বাস্তবসম্মত নয়। তার ভাষায়, “ইরান জানে তাদের বর্তমান অবস্থা টেকসই নয়।”
অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির পর Islamic Revolutionary Guard Corps-এর অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাভি দাবি করেছেন, যুদ্ধের আগের তুলনায় এখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা আরও বেড়েছে।
তিনি আরও জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য ইরানের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সূত্র: The New York Times