পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী দফার আলোচনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইরান—এমন ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট মহল।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Islamic Revolutionary Guard Corps)-ঘনিষ্ঠ একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করবে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলোর ওপর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও Israel যদি Lebanon-সংক্রান্ত সংঘাত নিয়ে একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়, তাহলে তা ইরানের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি পরবর্তী আলোচনার পথকে সহজ করতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ভবিষ্যৎ আলোচনা একটি “যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কাঠামোর” মধ্যেই হতে হবে। কোনো পক্ষ একতরফাভাবে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করলে তা আলোচনার অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়া, যুদ্ধবিরতির আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইরানের দৃষ্টিতে, আস্থার পরিবেশ তৈরি না হলে কার্যকর আলোচনা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে আলোচনায় আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও, ইরানি প্রতিনিধিরা বলছেন—আলোচনা শুরুর আগে কিছু মৌলিক নীতিমালা মেনে চলা প্রয়োজন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান—এই আলোচনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


