নির্বাচন নিয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের সরকার নজরদারিতে রেখেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি—তাদের প্রোফাইলগুলো খুবই স্পষ্ট। আগে তারা কী ভূমিকা পালন করেছে এবং কেন তারা এসব ছড়াচ্ছে, সবই আমাদের জানা।”

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের ৩৭ দিন বাকি আছে। আমরা মনে করি, আমরা খুবই ভালোভাবে প্রস্তুত আছি। এরই মধ্যে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কনফিডেন্স লেভেল আরো একটু ভালো অবস্থায় আছে। কারণ তারা পরপর তিন-তিনটা বড় ইভেন্ট খুব সুচারুভাবে অর্গানাইজ করেছে।বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় ইভেন্ট হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। অনলাইনের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের ভেতর থেকে সাত লাখ মানুষ নির্বাচনে সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না, কারণ তারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসসচিব বলেন, ‘এটা নিয়ে কিন্তু পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর সঙ্গে আমাদের সিকিউরিটি যারা দেখেন, যে এজেন্সিগুলো, তারা কথা বলেছেন। যাদের সিকিউরিটি দরকার তাদের অনেককেই গানম্যান দেওয়া হয়েছে। আপনি পুরো লিস্টটা পুলিশের কাছে পাবেন। পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর কাছে পাবেন। অনেকে এ বিষয়ে বলতেও চান না।সে জন্য আমরা বলছিও না । কিন্তু পলিটিক্যাল পার্টি লিডারদের সিকিউরিটি অবশ্যই আমাদের একটা টপ প্রায়োরিটি, সেটা নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। বিশেষ করে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এটা নিয়ে খুব কাজ করছে। আর এর পরেও স্থানীয় লেভেল থেকে যদি তারা সিকিউরিটি চান, সেটা অবশ্যই পুলিশ খতিয়ে দেখবে, কতটুক প্রয়োজন।’

তিনি জানান, ‘ভোটের গাড়ি ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় ক্যারাভানে গাড়ি ১০ থেকে বেড়ে ৩০টি করা হবে। নতুন করে আরো ২০টি গাড়ি যাওয়া শুরু করবে আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে। এটা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরা মোট ৩০টি টিভিসি দেখাবে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওরা স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে থাকবে।’

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version