হিমেল হাওয়া আর কুয়াশা সঙ্গে নিয়ে জেঁকে বসেছে হাড় হিম করা শীত। ইতোমধ্যে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রিতে। একই সঙ্গে ৭ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই অবস্থায় চলতি জানুয়ারিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে। এছাড়া এ মাসে কয়েক দফায় মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ২০২৬-এর দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে চলতি মাসে সমুদ্রে কোনো ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও জানানো হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারিতে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি এ মাসে ২ থেকে ৩টি মৃদু (০৮-১০° সে.) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া চলতি মাসে এক থেকে দু’টি মাঝারি (০৬-০৮° সে.) থেকে তীব্র (০৪-০৬° সে.) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে কখনও কখনও কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

এদিকে চলতি জানুয়ারিতে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোয় স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। এছাড়া এ মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ১ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৫ দশমিক ৫০ ঘণ্টা থাকতে পারে।

অন্যদিকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version