আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসবে—এমন দাবি তুলেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ২০২৪–এর কেন্দ্রীয় সংগঠক ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী মুনতাসির মাহমুদ।
তিনি বলেন, মাঠের রাজনীতি ও মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই মূল্যায়ন করছেন। গত এক মাস ধরে আশপাশের সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তিনি দেখেছেন—“রিকশাওয়ালা থেকে সবজিওয়ালা, চাকুরিজীবী থেকে ব্যবসায়ী—সবাই বলছে এবার জামায়াতকে ভোট দেবে।”
তার দাবি, “বিএনপি বা এনসিপি নিয়ে সাধারণ মানুষ আগ্রহী নয়। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সময় মানুষ অনেক কিছু দেখেছে—এবার ইসলামী দলকে সুযোগ দিতে চায়।”
তবে জামায়াতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি দেখছেন পেশীশক্তি, কেন্দ্র দখল ও সহিংসতা মোকাবিলা। তার মতে, অনেক আসনে জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় বিএনপি ‘পেশীশক্তি ছাড়া উপায় নেই’, যা নির্বাচনে সহিংসতা বাড়াতে পারে।
তিনি বলেন, “বিএনপি যদি তরুণ নেতৃত্বকে সামনে না আনে, তাদের ভরাডুবি ঠেকানো কঠিন। আরেকটা ‘ডাকসু’ টাইপ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে।”
মুনতাসির মাহমুদ আরও মনে করেন—সুষ্ঠু ভোট হলে এনসিপি কোনো আসন পাবে না।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দলের উচিত তাসনীম জারা, ডা. মাহমুদা মিতু ও হাসনাতের মতো প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া, “এরা অন্তত সংসদে যাওয়ার যোগ্য।”
ঢাকা-১২ আসন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দুইজন ছাত্র উপদেষ্টা তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। “আসিফ বা মাহফুজ যেই দাঁড়াক, আমার জয় নিশ্চিত—এখনো সেই চ্যালেঞ্জ রইলো।”
শেষ অংশে তিনি বলেন—সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত-শিবির ক্ষমতায় আসছে, তবে রাষ্ট্রক্ষমতার জন্য দলটি কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে তার সংশয় রয়েছে। “জনসমর্থনের পাশাপাশি তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে কেন্দ্র রক্ষা ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকানোর বিষয়ে।”
শেষে তিনি বলেন—“আল্লাহ ভরসা।”
