চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিএনপি অতীতে যেমন মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে, সেভাবেই সমাদৃত হওয়ার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের আদর্শ রাজনৈতিক কর্মী হতে হবে। আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে বিএনপি। আগামীতে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন করে জেগে উঠবে বাংলাদেশ।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ষোলশহর ২নং গেইট বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। উনিশ দফা কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে চলা বিএনপি পরের বছরই জয়ী হয় সংসদ নির্বাচনে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চারবার রাষ্ট্র পরিচালনা করে বিএনপি। বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল।

চসিক মেয়র বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, এ দেশের উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সেজন্য জিয়াউর রহমানকে এ দেশের জনগণ গ্রহণ করেছে। ১৯৮১ সালে বিপথগামী একদল সেনা সদস্যের হাতে তিনি নিহত হলে বিএনপির হাল ধরেন বেগম খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্বে তিনবার সরকার গঠন করে বিএনপি। ২০০৭ সালের জরুরি অবস্থার পর কঠিন রাজনেতিক সংকটের মুখোমুখি হয় বিএনপি। টানা দেড় দশক আওয়ামী লীগ দমন পীড়ন চালায় বিএনপির ওপর। মিথ্যা মামলায় দুই বছর বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখে। কিন্তু গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি কখনই আপস করেনি।

তিনি বলেন, জনগণের কাছে প্রদত্ত অঙ্গীকার থেকে বিএনপি কখনো পিছিয়ে আসেনি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে পরবর্তীতে শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দল গঠন, রাষ্ট্র পরিচালনা, সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় ফিরে আসা এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি কখনো মাথানত করেনি। ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় এখন পুরো দেশ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মো. কামরুল ইসলাম, মহানগর বিএনপি নেতা হাজী মো. আলী, ইয়াসিন চৌধুরী আসু, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, হাজী নুরুল আকতার, জাকির হোসেন, সালাউদ্দীন কায়সার লাভু।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version