Author: MK Raj
আমরা আশা করেছিলাম প্রত্যাশা দীপ্ত অঙ্গীকার থাকবে জুলাই ঘোষণাপত্রে। কিন্তু সেটা পাইনি। অনেক কিছুই আশা করেছিলাম। দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়টি না থাকায় খানিকটা হতাশা প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ঘোষণাপত্র শুনে মনে হলো শেষের দিকে এসে কিছুটা ব্যত্যয় ঘটেছে। আমাদের মনে হয়েছে যেন, শেষ হয়েও হইল না শেষ। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মঞ্জুর নেতৃত্বে দলের একটি প্রতিনিধি দল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। যাদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা আছে, হাসিনার পরিণতি মনে রাখতে হবেপ্রধান উপদেষ্টার…
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতারে ভাষণটি একযোগে সম্প্রচার হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করবো। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠাবো, যেন নির্বাচন কমিশন আগামী রমজানের আগে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, আপনারা সকলেই দোয়া করবেন যেন সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এ দেশের সকল নাগরিক একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার…
যা আছে জুলাই ঘোষণাপত্রে
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ.ছবি সংগৃহীতজুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। নিম্নে জুলাই ঘোষণাপত্রে যা যা বলা হয়েছে তা তুলে ধরা হলো১। যেহেতু উপনিবেশ বিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;এবং২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই…
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা একচ্ছত্র শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেই শূন্যতা পূরণে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রতি ছিল অসীম আশাবাদ; মনে করা হয়েছিল এখান থেকেই একটি নতুন, গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের সূচনা হবে। কিন্তু আজ এক বছর পর সেই আশার জায়গায় ঘনীভূত হয়েছে হতাশা। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারে বিলম্ব, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগহীনতা এবং প্রশাসনিক সংস্কারে স্থবিরতা—এই সব মিলিয়ে ইউনূস সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক…
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে প্রথম দিন থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে এবং তা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞ টিম এ বিষয়ে কাজ করছে। ভেটেরিনারি সায়েন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি ইত্যাদি খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আর সেটাই হবে নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্য। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে এককভাবে রাজত্ব কায়েম করেছিল। আমাদের গণতন্ত্র পরিপূর্ণভাবে…
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, এক বছর অতিক্রমের পরও আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ পাইনি। যদিও এক বছরে পূর্ণাঙ্গ অর্জন সম্ভব নয়, কিন্তু যতটুকু পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল, তাও আমরা পাইনি। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সারজিস আলম লেখেন, “স্বৈরাচারী খুনি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আপামর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান! লুকিয়ে দেশ ছেড়ে পালালো শেখ হাসিনা। বছরের পর বছর ধরে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্যাতিত হয়ে আসা মানুষগুলো স্বপ্ন দেখতে লাগলো কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের।” তিনি আরও লেখেন, “এক বছর অতিক্রম শেষে আমরা এখনো আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ পাইনি। হয়তো এক…
দেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। বিগত ১৬ বছরে দেশে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল—এমনটাই মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির হাতিয়ার। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ড. ইউনূস অভিযোগ করেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ আহতদের চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হয়নি। তৎকালীন সরকার নাকি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিল, যেন আহতদের চিকিৎসা না দেয়া হয়। তিনি শহীদ পরিবার এবং আহতদের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন এবং বলেন, তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে,…
জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের ১৫৮ জন সমন্বয়কের সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি অভিযোগ করে অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ। সোমবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি। পোস্টে হান্নান লিখেছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে দাওয়াতের কার্ড পেলাম। শুনেছি এই সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের লেজিটিমেট বডি ১৫৮ জন সমন্বয়ক, সহ-সমন্বয়ককে দাওয়াত দিতে পারেনি, হয়তো কতগুলা আসন বসাবে কিন্তু ১৫৮ জনের জন্য জায়গা হবে না।’ তিনি আরও লেখেন, ‘জানি না এই চেয়ারগুলোতে শহীদ পরিবারের জায়গা হবে কি না! যাদের সাহসিকতা আর নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান…
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় লেখা সেই প্রতীকী আহ্বান— “আসছে ফাগুন, আমরা হবো দ্বিগুণ”, পুনরাবৃত্তি ঘটে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে—তবে এবার বাস্তবে, রক্তে-ঘামে আর চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নতুন রূপ, ছাত্র-জনতার ঐক্য আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে অদম্য প্রতিরোধ—সব মিলিয়ে এ সময় গড়ে ওঠে এক অভূতপূর্ব গণআন্দোলন, যার কেন্দ্রে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আন্দোলনের সূচনা: ১ জুলাই ২০২৪, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পুরোনো সিদ্ধান্ত বাতিল করে তা পুনর্বহাল করতে একটি পরিপত্র জারি হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শুরু হয় অবস্থান। স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো…
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে আজ তাকে সিআইসিইউ (কার্ডিয়াক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে এই তথ্য জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমিরে জামায়াতের সার্বিক অবস্থা উন্নতির দিকে। আজকে সবকিছু ভালো থাকলে সিআইসিইউ থেকে কেবিনে শিফট করা হতে পারে, ইনশাআল্লাহ। তবে তিনি আরও জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আমিরের পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। তাই কেবিনেও সাক্ষাৎকার বা ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ একেবারেই নিষিদ্ধ। দলীয় নেতাকর্মী ও…
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
Copyright © 2025 The Politics Today, All Rights Reserved.