আন্তর্জাতিক কফি দিবসকে কেন্দ্র করে ঢাকায় কফিপ্রেমী ও তরুণদের নিয়ে ব্যতিক্রমী এক উৎসবের আয়োজন করেছে নেসক্যাফে বাংলাদেশ। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) হল-১-এ বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় দিনব্যাপী এ আয়োজন।
কফির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য উৎসবে রাখা হয়েছিল সংগীত, গেমিং, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন ধরনের ইন্টার্যাকটিভ আয়োজন। বিকেল থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সী কফিপ্রেমী এবং তরুণদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসানের লাইভ পারফরম্যান্স। তার সঙ্গে মঞ্চ মাতান ব্যান্ড লেভেল ফাইভ। সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি আগত অতিথিদের জন্য নেসক্যাফের বিভিন্ন কফি উপভোগ ও টেস্ট করার সুযোগও রাখা হয়।
অনুষ্ঠানে নেসক্যাফে থ্রি ইন ওয়ানের সীমিত সংস্করণের ১০টি বিশেষ ভ্যারিয়েন্টের নতুন প্যাকও উন্মোচন করা হয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কফি দিবসের আয়োজনের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির নতুন পণ্যসংস্করণের পরিচয়ও তুলে ধরা হয়।
শুধু গান আর কফির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না উৎসবের আয়োজন। দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয় পিএস-৫ গেমিং, ক্যানভাস ও ডুডলিংয়ের মতো সৃজনশীল কার্যক্রম। পাশাপাশি ছিল ক্রিয়েটর চ্যালেঞ্জ ও পোলারয়েড বুথ। ফলে প্রত্যেকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাবা খান, রাকিন আবসার ও মাহিম মেকস। তাদের সঙ্গে দর্শনার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রিয়েটরভিত্তিক কার্যক্রমেও অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল।
পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নীল হুরেরজাহান। আয়োজনের বিভিন্ন অংশে দর্শনার্থীদের ছবি তোলা এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার সুযোগও রাখা হয়েছিল।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কফি দিবস উপলক্ষে তরুণদের কফির সঙ্গে আরও বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার মধ্যে যুক্ত করাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। তাই শুধু কফি পান নয়, সংগীত, গেমিং, সৃজনশীলতা এবং কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মতো বিভিন্ন বিনোদনমূলক বিষয়কে একই আয়োজনের আওতায় আনা হয়।
নেসক্যাফে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবারের উৎসবে থ্রি ইন ওয়ান পণ্যের নতুন সীমিত সংস্করণের ভ্যারিয়েন্টগুলোও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এই উৎসবে নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতি ছিল। বিশেষ করে তরুণদের অংশগ্রহণে আইসিসিবির উৎসবস্থলে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। নিজেদের পছন্দের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি কফি ও সংগীত উপভোগ করে দিনটি কাটান আগতরা।
