Amir Hamza বলেছেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী Iqbal Hasan Mahmud Tuku-কে নিয়ে দেওয়া তার মন্তব্য থেকে তিনি সরে আসছেন না। ইসলামের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করবেন না বলেও জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির হামজা বলেন, একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর বক্তব্যে ইসলামকে আঘাত করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেছেন। তার দাবি, ওই বক্তব্যে বলা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য হয়নি, আর এর প্রতিক্রিয়াতেই তিনি মন্তব্য করেছিলেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি; বরং ইসলামের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার কাছে আগে আল্লাহ, রাসুল ও ইসলাম, এরপর অন্য কেউ।”
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য দাবি করেন, তার বক্তব্যের পর তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন বলেও জানান। তার মতে, মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও আদালত প্রশ্ন তুলেছে।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, একজন সংসদ সদস্যকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে যে সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা, তা যথাযথভাবে মানা হয়নি।
সরকারের সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে আমির হামজা বলেন, বিরোধী দলের কাজ হলো সরকারের সমালোচনা করে সঠিক পথে রাখার চেষ্টা করা। সমালোচনার সুযোগ সীমিত হয়ে গেলে রাষ্ট্রে কর্তৃত্ববাদী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে তিনি বলেন, কাউকে অযথা অপমান বা ট্রল করা উচিত নয়। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিও রয়েছে এবং সেই কারণেই তিনি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
আমির হামজা আরও জানান, পরে সংসদের ভেতরে জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধান হতে পারে বলেও ধারণা করেছিলেন। কিন্তু এরপরও মামলা ও সমন জারি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে Sirajganj Additional Chief Judicial Magistrate Court আমির হামজাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারক Suman Kumar Karmakar রোববার এ আদেশ দেন বলে জানা গেছে।
