ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হতে হয়েছে। তার মতে, এটি সম্ভব হয়েছে মূলত শক্তিশালী ও সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কারণে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, হিজবুল্লাহ বা লেবাননের অন্যান্য ফ্রন্টের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চালানোর কোনো নৈতিক বা আইনগত অধিকার নেই।
তিনি আরও জানান, ইরান সবসময়ই এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি চায় এবং পরমাণু অস্ত্রের পক্ষে নয়। একইসঙ্গে তিনি সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক অস্থিরতার বিরোধিতা করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইরান প্রেসিডেন্ট বলেন, তেহরান তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষা করবে আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক কাঠামোর মধ্য থেকেই।
এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের অবস্থান ও নীতির বিষয়ে অন্যান্য পক্ষকে আরও ভালোভাবে বুঝতে হবে এবং উত্তেজনা কমানোর পথে অগ্রসর হতে হবে।
পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে বলেন, তাদের সামরিক অভিযান এবং বিভিন্ন হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্য আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। তার অভিযোগ, এসব ঘটনার ফলে সামরিক কমান্ডার, রাজনৈতিক নেতা, বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি ঘটছে, যা পুরো অঞ্চলকে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কেবল যুদ্ধ নয়, বরং কূটনৈতিক পথেই স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
