ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও পরিচিত ব্যক্তিকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের আটকের খবরও রয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে যন্তর মন্তর রোডে কেরালা হাউসের কাছে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটকের পর বিজয়নকে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের ভেতরে রাখা হয়েছে। তবে তাঁকে আটকের কারণ এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভের আগে আটক সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের। তবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগেই তাঁকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, মুম্বাই থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দিল্লিতে অবতরণের পর তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে তাঁদের আটকের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটকের দাবি
বিক্ষোভে অংশ নিতে জার্মানি থেকে ভারতে আসা জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও শনিবার সকালে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
৩২ বছর বয়সী এই ইউটিউবারকে গুরগাঁওয়ের সেক্টর ৫৬ এলাকায় তাঁর বাসা থেকে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তাঁকে আটক করতে দিল্লি পুলিশের প্রায় ৫০ সদস্যের একটি দল সেখানে গিয়েছিল বলেও জানা গেছে।
তবে ধ্রুব রাঠীকে আটকের কারণ এবং তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিজেপির আইন বিভাগের প্রধানেরও আটকের অভিযোগ
এদিকে, সিজেপির আইন বিভাগের প্রধান রত্না সিংও দাবি করেছেন, প্রতিবাদ কর্মসূচির আগেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিকে আটকের এসব খবর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
তবে আটকের সংখ্যা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থান এবং পুলিশি পদক্ষেপের কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

