দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
শুক্রবার সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ–সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় নতুন দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশোধিত মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।
এর আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ওই শ্রেণির স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯১ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর অনুসরণ করা হবে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে নির্ধারিত হবে। স্বর্ণালংকারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া অলংকার বিনিময়ের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ কর্তনের নিয়ম বহাল থাকবে। এসব লেনদেনে পৃথকভাবে ভ্যাট সমন্বয়ের সুযোগও থাকবে না।
