পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল মাধ্যমে নকল বা অনিয়ম প্রতিরোধে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং, পরিবর্তন বা কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশের আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার ফলাফলনির্ভর না হয়ে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে। তার মতে, আধুনিক যুগে শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ তৈরি করা।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, কেবল উচ্চশিক্ষার দিকে সবাইকে ঠেলে দিলে বেকারত্বের সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মমুখী ও বাস্তব দক্ষতাভিত্তিক করার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ভবিষ্যতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যক্রমে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র ডিগ্রিনির্ভর না করে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা।
