
মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তবে তাকে যেকোনো মূল্যে আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দিয়েছে প্রসিকিউশন। বৃহস্পতিবার সকালে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, অসুস্থতার কারণে বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি যেতে অনীহা প্রকাশ করেন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করে।
প্রসিকিউশন পক্ষ কারা কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে দ্রুত তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেয়। আজই এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এই মামলায় কামরুল ইসলামের সঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।
এর আগে, আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে তাদের আইনজীবী আবেদন করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি প্রসিকিউশন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততারও সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।
অন্যদিকে, প্রসিকিউশন পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আন্দোলন দমন করতে আসামিরা উসকানিমূলক ভূমিকা রেখেছেন এবং তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে সহিংসতা ঘটেছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বাড্ডা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এই মামলায় একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করে।