ইরানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে অস্থিরতা বাড়ায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তীব্র হয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের ওপরে উঠে যায়, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দামও বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা—এই দুই কারণে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। উল্লেখযোগ্য এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়।
এদিকে, ইরানের ওপর সম্ভাব্য অবরোধ ও সামরিক পদক্ষেপের খবর বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে তেলের দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।
