যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা এখন শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত থাকায় বাজারে সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত কয়েক মাসে সংঘাতের কারণে তেলের দাম ও বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা গেছে, তবুও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষই এখন সংঘাত দীর্ঘায়িত না করে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে যেতে আগ্রহী। কারণ দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

একজন বাজার বিশ্লেষক ডেভিড মরিসন বলেন, বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন সংঘাত দ্রুত শেষ হবে, তবে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ ঝুঁকি এখনো বড় উদ্বেগ হিসেবে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে রয়েছে। জ্বালানি আমদানিনির্ভর এই অঞ্চলগুলোতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক সুজানাহ স্ট্রিটার জানান, যুদ্ধবিরতি বাড়লেও বাজারে অনিশ্চয়তা এখনো বিদ্যমান। ফলে জ্বালানি খাতকে ঘিরে বৈশ্বিক অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version