ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও দেশের বড় কয়েকটি শহরে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রাজধানীর প্রায় ৪০টি স্থান রয়েছে, যেখানে আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, রেস্টুরেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ৪০০টিরও বেশি জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫জি প্রযুক্তি পুরোপুরি কার্যকর করতে বিভিন্ন খাতের প্রস্তুতি জরুরি। বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শিল্প খাতে এর ব্যবহারযোগ্য পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

সরকার জানিয়েছে, দেশে ধাপে ধাপে ৫জি প্রযুক্তির বিস্তার ঘটানোর পরিকল্পনা চলছে। প্রথম পর্যায়ে বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে সীমিত পরিসরে এই সেবা চালু করা হচ্ছে।

এছাড়া নেটওয়ার্ক অবকাঠামো শক্তিশালী করতে বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোকে উচ্চগতির ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনার কাজ চলছে।

ঢাকা মেট্রো এলাকায় ব্যাকআপ নেটওয়ার্কসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দ্রুতগতির ব্যান্ডউইথ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আধুনিক ডিডব্লিউডিএম ও এএসওএন প্রযুক্তি স্থাপন করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় ৭৯ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version