ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে মাহদী আমিন এবং প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে ইসমাইল জবিউল্লাহকে মনোনীত করা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এ সময় বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সরকারি অফিসে ফোন দিয়ে কারও মনোনয়নপত্র বাতিলের কথা বলা হয়নি। বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব খবর বের হয়েছে সেসব বিষয়ে খোঁজ নেওয়া উচিত গণমাধ্যমের বলেও জানান নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নিয়মিত কাজ করবে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হবেন মাহদী আমিন ও প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল জবিউল্লাহ।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে আজকের বৈঠকে, কীভাবে প্রার্থীদের সহযোগিতা করা হবে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে আমরা কী ভূমিকা রাখবো ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি সবসময় বিএনপি জানিয়েছে। ক্ষমতায় যেতে এ দাবি করা হয়নি, দেশে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চেয়েছি। ফ্যাসিস্ট বিদায় হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পায়নি। নির্বাচনের মাধ্যমে সেই প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
এ নির্বাচন বিএনপির দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের ফসল। দেশের মানুষ বহুবছর ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থী বাছাই করতে পারেনি-এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের আশা ভোটের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থী এবং সরকার বাছাই করতে পারবে। কাজেই নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয় সে লক্ষ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি কাজ করছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, অতীতে বহু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও তখনও নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলা হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণে যদি আইনি কোনো বাধা থাকে বা কেউ স্বেচ্ছায় অংশ না নেয়, সে ক্ষেত্রে কিছু বলার নেই। তবে এমন পরিস্থিতি না থাকলে বলা যেতে পারত যে কাউকে বাইরে রেখে নির্বাচন করার চেষ্টা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সরকারি দপ্তরে ফোন করে কারও মনোনয়ন বাতিলের অনুরোধ করা হয়নি।
