সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক। দক্ষিণ এশিয়ার দুই বৈরি প্রতিবেশীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও, বাংলাদেশে অবস্থানকালে আজ দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন।
এসময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের স্পিকারের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।
বুধবার পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে বিষয়টি খোলাসা করা হয়েছে। পোস্টে বলা হয়, ‘পাকিস্তানের স্পিকার আয়াজ সাদিককে দেখে এগিয়ে গিয়ে করমর্দন করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর। এ সময় নিজ পরিচয় দিয়ে তিনি আয়াজ সাদিককে বলেন, আমি আপনাকে চিনতে পেরেছি।’
পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের সেই পোস্টে আরও বলা হয়, ‘২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষের পর এই আলাপচারিতাই ভারতের পক্ষ থেকে প্রথম উল্লেখযোগ্য উচ্চস্তরের যোগাযোগের সূচনা।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান ক্রমাগতভাবে আগ্রাসন এবং উত্তেজনা রোধ করার জন্য শান্তি আলোচনা এবং কথিত ‘ফলস ফ্ল্যাগ পহেলগাম’ ঘটনার যৌথ তদন্তের প্রস্তাবসহ সংলাপ, সংযম এবং সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের উপর জোর দিয়ে আসছে।’
ভারতের পক্ষ থেকে অবশ্য এখনো এই আলাপের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেকের ইমামতিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়। পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকও খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন।
পরবর্তীতে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
