নারী বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর দারুণ এক সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু সেই স্বপ্নভঙ্গের নায়ক (নায়িকা) হয়ে ওঠেন হিদার নাইট। তার দৃঢ় ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় বাংলাদেশকে।
জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান ইংলিশ এই ব্যাটার। তার ফিফটি ও অপরাজিত ইনিংসেই ৪ উইকেটে হারতে হয় টাইগ্রেসদের।
তবে নাইটকে আউট করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের, একবার নয়—দুবার। দুইবারই আউট করলেও টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বেঁচে যান তিনি। সেসব জীবন পেয়ে আর পেছনে ফিরে তাকাননি, বরং দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।
দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছেড়েছেন তিনি। তাতে দারুণ লড়াই করেও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মারুফ আক্তার-নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। ৭৯ রানে অপরাজিত থাকা নাইট দুইবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান। ০ ও ১৩ রানে।
শেষ পর্যন্ত জয়ের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১ ছক্কা ও ৮ চারে।
তিনে নামা নাইটকে ম্যাচ বের করে নিতে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক ন্যাট সিভার-ব্রান্ট, অ্যালিস ক্যাপসি ও চার্লি ডিন। অধিনায়ক সিভার ব্রান্টের ৩২ রানের বিপরীতে ২০ রান করে ক্যাপসি আউট হলেও অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন ডিন। ৪ মেরে জয় নিশ্চিত করা ডিন ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। মারুফার পেসের তোপে শুরুতে কাঁপছিল ইংল্যান্ড।
দুই ওপেনারকে দলীয় ২৯ রানের মধ্যে ফেরান বাংলাদেশি পেসার। তৃতীয় উইকেটে সিভার-ব্রান্ট ও নাইট ৪০ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডের হাল ধরেন। ফাহিমা খাতুন দলীয় ৯ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখান। কিছুক্ষণ পর ক্যাপসিকে আউট করে সম্ভাবনাটা জোরালো করেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। কিন্তু বাস্তবে ফল পাওয়া হয় না নাইটের দুর্দান্ত ইনিংসটির কারণে।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সোবহানা মোস্তারির ফিফটিতে ১৭৮ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ইনিংসে অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করা মোস্তারি করেছেন ৬০ রান। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং স্কোরটা এনে দেন রাবেয়া খান। ১৫৯.২৫ স্ট্রাইকরেটে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসটি সাজান ৬ চার ও ১ ছক্কায়। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন সোফি এচলেস্টন।
