দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশে। তবে এখনো ২২ শতাংশের বেশি মানুষ নিরক্ষর রয়ে গেছেন, যারা শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মূলধারা থেকে বাইরে অবস্থান করছেন।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের ৫৮টি জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় প্রথম ধাপে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ঝরে পড়া ৪ হাজার ৪৪০ জন কিশোর-কিশোরীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে মোট ৪৬০ ঘণ্টার কোর্স পরিচালিত হয়। এর মধ্যে ১০০ ঘণ্টা সাক্ষরতা শিক্ষা এবং ৩৬০ ঘণ্টা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিই এ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন সফলভাবে দক্ষতা অর্জন করেছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন বিভিন্ন ধরনের চাকরির সুযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে প্রবেশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নিরক্ষরতা কমিয়ে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গতি আনা যায়।
