২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলেও বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। এ বছর দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিতভাবে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় দেশের মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৬৯টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। অর্থাৎ এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১৫টি কমেছে।
একই সময়ে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৪ থেকে বেড়ে ৩১২টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি।
সামগ্রিক পাসের হারেও এবার নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৫ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে তা কমে এবার হয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাতেও এবার পতন হয়েছে। চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
