যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলায় ইরানের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি প্রদেশে পরিচালিত হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও ৭৮ জন আহত হয়েছেন।
সরকারি সূত্র জানায়, বুধবার থেকে শুরু হওয়া বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির এ চিত্র পাওয়া গেছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হামলার জবাবে তারা কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুয়েতে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাতারে একটি আগাম সতর্কীকরণ (আর্লি ওয়ার্নিং) স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা স্থাপনা এবং বাহরাইনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
ইরান আরও দাবি করেছে, এসব অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে হামলার ফলে লক্ষ্যবস্তুগুলোতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এক বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, তারা নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ রক্ষায় কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং সংঘাতে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
