আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার আরও বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ০.৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫২৭ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। চলতি সপ্তাহজুড়েও মূল্যবান এই ধাতুর দামে সামান্য পতন দেখা গেছে।
একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দামও কমেছে। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বহাল থাকার কারণে ডলার আরও শক্তিশালী অবস্থানে যাচ্ছে, যা সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বিশ্লেষক জানিয়েছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি সোনার দাম কমার অন্যতম প্রধান কারণ। বিনিয়োগকারীরা এখন সুদের হার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।
শুধু সোনা নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও পতন দেখা গেছে। রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও সামান্য কমেছে বলে বাজার তথ্যসূত্র জানিয়েছে।
দেশের বাজারে সোনার বর্তমান দাম
(বাজুস) নির্ধারিত দামে বর্তমানে দেশে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকার বেশি দামে।
এছাড়া—
- ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি : ২ লাখ ২৭ হাজার টাকার বেশি
- ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি : প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা
- সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি : প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা
বিশ্ববাজারের দামের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও সোনার দামে পরিবর্তন আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

