
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে আর দেখা যাচ্ছে না আগের মতো দীর্ঘ লাইন। কয়েকদিন আগেও যেখানে তেল নিতে অপেক্ষা করতে হতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এখন সেখানে অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, পাম্পগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। অনেক জায়গায় কর্মচারীরা অবসর সময় পার করছেন। আগে যেখানে তেল দিতে হিমশিম খেতে হতো, এখন সেখানে ক্রেতা এলেই দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কিছু পাম্পে কয়েক ঘণ্টায় খুব অল্প সংখ্যক যানবাহন তেল নিতে আসছে।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি সংকট নিয়ে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। পাশাপাশি, ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু হওয়ায় তেল নেওয়ার প্রক্রিয়াও আরও নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
সম্প্রতি সরকার জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে বাজারে চাপ কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু পাম্পে কিউআর কোডভিত্তিক ফুয়েল পাস চালু করা হয়েছে, যা ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করেছে। ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি এই ব্যবস্থার আওতায় নিবন্ধিত হয়েছে।
পাম্প মালিকদের মতে, সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রধান কারণ। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও জ্বালানি সরবরাহে এমন সংকট আর দেখা যাবে না।