জাপানের আগাম সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) জোট। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে দলটির বড় জয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নিক্কেইর এক জরিপে বলা হয়েছে, এলডিপি ও জাপান ইনোভেশন পার্টি মিলে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। খবর আল জাজিরা।
এদিকে বিরোধী দলগুলো বিভক্ত থাকায় শক্ত কোনো চ্যালেঞ্জ গড়ে তুলতে পারছে না। ভারী তুষারপাত ভোটার উপস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা থাকলেও ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এমন ফল এলে জাপানের রাজনীতিতে তাকাইচির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরও জোরালো হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় এই নির্বাচনের ডাক দেন। তার উচ্চ জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বড় জয়ের আশা করছে। বর্তমানে দলটি একটি দুর্বল জোট সরকার পরিচালনা করছে।
৬৪ বছর বয়সী সানায়ে তাকাইচি জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি কট্টর রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের অনুরাগী তাকাইচিকে জাপানের গণমাধ্যমে ‘আয়রন লেডি’ বলেও অভিহিত করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সক্রিয় উপস্থিতি তরুণ ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।
নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো একটি বড় ইস্যু। খাদ্যপণ্যের ভোগকর কমানোর প্রস্তাব এলডিপির দীর্ঘদিনের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যদিও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ রয়েছে।
