শেষ ওভার করতে এসে হয়তো রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এসেছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। সেদিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সুপার ওভারে বল করতে নেমে দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। আজ ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে যেন সেই আক্ষেপ ঘোচানোর প্রতিজ্ঞাই করেছিলেন—রংপুরকে জিতিয়েই ছাড়বেন।
আর তা করে দেখিয়েছেন মুস্তাফিজ। ৬ বলে ১০ রানের কঠিন সমীকরণে তিনি দেখান নিজের জাদু। বাঁহাতি এই পেসারের স্লোয়ার, কাটার আর নিখুঁত ইয়র্কারে বিভ্রান্ত হয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান নিতে পারেন মাত্র ৪ রান। ফলে নাটকীয়ভাবে ৫ রানের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয় রংপুর।
রংপুরের টানা দ্বিতীয় জয়ে ভেস্তে গেছে মিঠুনের ফিফটি। সর্বশেষ দুই ম্যাচে জয় না পাওয়া ঢাকার মুখে আজ হাসি এনে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষটা মেলাতে পারলেন না ৫৬ রানে অপরাজিত থাকা ঢাকার অধিনায়ক। অথচ রান তাড়ার শুরু থেকে ম্যাচটা তাদের হাতেই ছিল।তবে শেষ ওভারে মুস্তাফিজ সব সমীকরণ পাল্টে দিলেন।
এর আগে মাহমুদ উল্লাহর ফিফটিতে ১৫৫ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর। এবারের বিপিএলে প্রথম ফিফটির ইনিংসটি খেলেছেন ৫১ রানের। তার ৭ চারের ইনিংসের বিপরীতে শেষ দিকে ৩৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে দেড়শোর্ধ্ব সংগ্রহ এনে দেন খুশদিল শাহ। ১৮০.৯৫ স্ট্রাইরেটের ইনিংসে ৪ চারের বিপরীতে ২ ছক্কা হাঁকিয়েছেন পাকিস্তানের অলরাইন্ডার।
এ ছাড়া আজ তিনে নেমে ৩৩ রান করেছেন রংপুরের হয়ে আগের তিন ম্যাচে ওপেন খেলা ডেভিড মালান। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন জিয়াউর রহমান।
